কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: বুধবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৫ এ ০৪:৩১ PM

স্টাফবাস সার্ভিস কর্মসূচি

কন্টেন্ট: পাতা

 

বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড

স্টাফবাস কর্মসূচি

 ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধে বাংলাদেশের পরিবহন সেক্টর ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে ঢাকা মহানগরীতে স্বল্প আয়ের সরকারি কর্মকর্তা/কর্মচারীগণের অফিসে যাতায়াতে বিভিন্ন প্রতিকূলতা ও সমস্যা সৃষ্টি হওয়ায় ১৯৭৪ সালে সাবেক কর্মচারী কল্যাণ কমিটির ০২/০৫/১৯৭৪ তারিখের সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক কল্যাণমূলক কর্মসূচির আওতায় ০১ টি বাস ক্রয় করে স্টাফবাস সার্ভিস কর্মসূচির প্রবর্তন করা হয়।

বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডেরকাজের গতিশীলতা, নাগরিক সেবা প্রদান প্রক্রিয়া সহজীকরণ ও উদ্ভাবন সংক্রান্ত নির্দেশনা প্রতিপালনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডের স্টাফবাসে যাতায়াতের টিকেট প্রদানের e-ticketing software প্রণয়ন করা হয়েছে। এ ব্যবস্থার মাধ্যমে সেবা সহজীকরণ, আর্থিক স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণ, দীর্ঘসূত্রিতা হ্রাস পাবে এবং সেবা গ্রহণকারীগণের তথ্য ভান্ডার সংরক্ষিত হবে

সেবার মৌলিক তথ্যাবলী :

 

সেবা প্রদানকারী

অফিসের নাম

দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা/কর্মচারী

সেবা প্রাপ্তির স্থান

প্রয়োজনীয় সময়

বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড, ঢাকা

১।   প্রধান কার্যালয়ের জন্য - মহাপরিচালক, পরিচালক(উন্নয়ন), উপপরিচালক(উন্নয়ন), সহকারী পরিচালক (কর্মসূচি), কল্যাণ অফিসার (কর্মসূচি), পরিবহণ কর্মকর্তা এবং ইউডিএ/এলডিএ

২।   বিভাগীয় কার্যালয়ের জন্য - পরিচালক, উপপরিচালক, সহকারী পরিচালক, কল্যাণ অফিসার, ইউডিএ/এলডিএ

বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড, প্রধান কার্যালয়, ঢাকা এবং বিভাগীয় পর্যায়ে চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, রংপুর ও রাঙামাটি পার্বত্য জেলা

৩০ দিন

সেবা প্রদানের সংক্ষিপ্ত বিবরণ

১. প্রধান কার্যালয়ে “ই-টিকেটিং সিস্টেম" জন্য অনলাইনে আবেদন করতে হয়। কোনপ্রকার হার্ড কপি গ্রহন করা হয় না । অনলাইনে আবেদন দাখিলের পর SMS এর মাধ্যমে আবেদনের ডায়েরি নম্বর, তারিখ ও আবেদনে কোন ত্রুটি থাকলে তা জানিয়ে দেয়া হয়; 

২. আবেদনসমূহ পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে অনলাইন সফটওয়্যারের মাধ্যমে অনুমোদন করা হয় এবং আবেদনকারীকে SMS এর মাধ্যমে  অনুমোদনের বিষয়টি জানিয়ে দেয়া হয়;

 ৩. কল্যাণ বোর্ড কর্তৃক আবেদন অনুমোদনের পর আবেদনকারী তাঁর ড্যাশবোর্ডে “ভাড়া প্রদান করুন” নামে অপশন পাবেন। এ অপশনটির মাধ্যমে স্টাফবাসে যাতায়াতের চাহিত রুটের দূরত্ব অনুযায়ী ভাড়া অনলাইনে (নগদ অ্যাপে) জমা দিতে পারবেন।

৪. আবেদনকারী ন্যূনতম ১ মাসের ভাড়া বা সর্বোচ্চ ১ বছরের ভাড়া অগ্রিম পরিশোধ করতে পারবেন। ভাড়া প্রদান করার পর তাঁর নামে অনুমোদিত ও জেনারেটকৃত (QR Code) টিকেটের সফটকপি দেখতে পারবেন।

৫. অসম্পূর্ণ আবেদন বিবেচনা করা হবে না।

৬.বিভাগীয় কার্যালয়সমূহ একইভাবে সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম সম্পন্ন করে;

 ৭. এ সংক্রান্ত সকল তথ্য বোর্ডের ওয়েবসাইট (www.bkkb.gov.bd) থেকে জানা যাবে।

সেবা প্রাপ্তির শর্তাবলি

 

 

 

  1. প্রজাতন্ত্রে কর্মরত সরকারি ও বোর্ডের তালিকাভুক্ত স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার কর্মচারীগণকে সময়মত অফিসে যাতায়াতের জন্য ঢাকা মহানগরসহ বিভাগীয় পর্যায়ে চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, সিলেট ও জেলা পর্যায়ে রাঙামাটিতে স্টাফবাস কর্মসূচি পরিচালনা করা হচ্ছে। ১১-২০ গ্রেডের কর্মচারীগণ বড়বাসে এবং ১০ গ্রেড হতে তদুর্ধ পর্যায়ের কর্মকর্তাগণ যে কান বাসে যাতায়াতের টিকেট সংগ্রহের জন্য আবেদন করতে পারবেন।
  2. ঢাকা মহানগরীতে কর্মরত কর্মচারীদের ক্ষেত্রে ঢাকা মহানগর ও বিভাগের কর্মচারীদের ক্ষেত্রে নিজ নিজ বিভাগীয় কার্যালয়ে অনলাইনে আবেদন করতে হবে। 
  3. নতুন টিকেটের জন্য মাসের যে কোনো সময় আবেদন করে টিকেট গ্রহণ করা যাবে। তবে পূর্ণ মাসের ভাড়া প্রদান করতে হবে (নির্ধারিত ভাড়া- (১) বড় বাসে প্রতি কিলোমিটার ০.৬২৫ টাকা, (২) মিনিবাসে প্রতি কিলোমিটার ১.২৫ টাকা এবং (৩) এসি বাসে প্রতি কিলোমিটার ...........টাকা হারে)। 
  4. প্রতি মাসের ২৫ তারিখের মধ্যে ভাড়া প্রদান করতে হবে। নির্ধারিত তারিখের পর প্রতি মাসের জন্য ১০ (দশ) টাকা হারে জরিমানা প্রদান করতে হবে। 
  5. কোনো কারণে স্টাফবাসে যাতায়াত করতে না চাইলে টিকেট বাতিল করা যাবে। সেক্ষেত্রে যে মাস পর্যন্ত ভাড়া পরিশোধ করা আছে তার পরবর্তী মাসের ১ তারিখ থেকে টিকেট বাতিলের জন্য আবেদন করতে পারবেন। 
  6. টিকেটধারী কর্মকর্তা/কর্মচারী ব্যতীত আত্মীয়-স্বজন বা অন্য কোনো ব্যাক্তি স্টাফবাসে যাতায়াত যাতায়াত করতে পারবেন না।
  7. স্টাফবাসের টিকেট প্রদান কার্যক্রম প্রচলিত নিয়মের পরিবর্তে ৩মে, ২০২৩ হতে অনলাইন সফটওয়্যার (eservice.bkkb.gov.bd/eticketing) ব্যবহার করে কর্মকর্তা/কর্মচারীগণ নতুন টিকেটের জন্য আবেদন, রুট/বাস পরিবর্তনের আবেদন, টিকেট বাতিলের আবেদন ও স্টাফবাসের না-দাবীর আবেদন অনলাইনে দাখিল করতে পারবেন। 
  8. স্টাফবাসে যাতায়াতের চাহিত রুট অনুযায়ী টিকেটের ভাড়া অনলাইনে (নগদ অ্যাপে) জমা দিতে পারবেন এবং টিকেটের সফটকপি (QR Code) জেনারেট করবে। বোর্ড হতে স্টাফবাসের টিকেটের কোন হার্ড কপি প্রদান করা হবে না।
  9. কর্তৃপক্ষ যে কোনো কারণে টিকেট বাতিল করার ক্ষমতা সংরক্ষণ করেন। স্টাফবাসে নির্দিষ্ট কোনো আসন বরাদ্দ করা হয় না। যাতায়াতের জন্য শুধুমাত্র টিকেট ইস্যু করা হয়। 

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

১.  রাজস্বখাতভুক্ত/বোর্ড তালিকাভুক্ত কর্মকর্তা/কর্মচারী ক্ষেত্রে কোন প্রকার কাগজপত্র গ্রহণ করা হয় না। 

প্রয়োজনীয় ফি

এজন্য কোন ফি প্রয়োজন হয় না

সংশ্লিষ্ট আইন

বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড আইন, ২০০৪ এবং বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড (তহবিলসমূহ পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ) বিধিমালা ২০০৬ অনুযায়ী

নির্দিষ্ট সেবা পেতে ব্যর্থ হলে পরবর্তী প্রতিকারকারী কর্মকর্তা

প্রধান কার্যালয়ে – মহাপরিচালক/পরিচালক(উন্নয়ন)

বিভাগীয় কার্যালয়ে –পরিচালক/ উপপরিচালক

সেবা প্রদান/ প্রাপ্তির ক্ষেত্রে অসুবিধা সমূহ

ক) নাগরিক পর্যায়

কল্যাণ বোর্ডের বাসের সংখ্যা কম থাকায় অনেক কর্মকর্তা কর্মচারী এ সুবিধা ভোগ করতে পারছেনা

খ) সরকারি পর্যায়

১. চাহিদার তুলনায় বাসের সংখ্যা অপ্রতুল

২. বাসগুলো মেরামতের জন্য পর্যাপ্ত ওয়ার্কসপ সুবিধা নেই

৩. প্রয়োজনীয় জনবলের অভাব

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন